আমলা, ভৃঙ্গরাজ, ব্রাহ্মী ও খাঁটি নারকেল তেলের ঐতিহ্যবাহী মিশ্রণ। চুল পড়া কমাতে ও গোড়া মজবুত রাখতে সহায়ক — কোনো মিনারেল অয়েল বা কৃত্রিম রং ছাড়া।
ডেলিভারি চার্জ: ঢাকার ভিতরে ৳৬০ · ঢাকার বাইরে ৳১২০
মিনারেল অয়েল-মুক্ত
ভেষজ উপাদানের ঐতিহ্যবাহী ব্যবহারের ভিত্তিতে — এটি ওষুধ নয়, দৈনন্দিন যত্নের পণ্য
ভৃঙ্গরাজ ও আমলা চুলের গোড়া পুষ্টি জোগায় — নিয়মিত ম্যাসাজে গোড়া মজবুত থাকে, ফলে ভেঙে পড়া কমে।
নিম ও মেথির গুণ স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে, শুষ্কতা থেকে হওয়া চুলকানি কমায়।
খাঁটি নারকেল তেল চুলের গভীরে আর্দ্রতা পৌঁছে দেয় — চুল হয় নরম, ঝলমলে ও সহজে আঁচড়ানো যায়।
আমলা ও কালোকেশী ঐতিহ্যগতভাবে চুলের স্বাভাবিক রং ধরে রাখার যত্নে ব্যবহৃত হয়।
প্রধান ভেষজ উপাদান
সপ্তাহে ২–৩ বার, মাত্র ১০ মিনিটের রুটিন
প্রয়োজনমতো তেল আলাদা পাত্রে নিয়ে হালকা কুসুম গরম করুন — সরাসরি আগুনে গরম করবেন না।
আঙুলের ডগা দিয়ে ৫–৭ মিনিট গোল গোল করে পুরো স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করুন। শ্যাম্পুর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে, সম্ভব হলে আগের রাতে লাগান।
সালফেট-মুক্ত বা মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। টানা ৮–১২ সপ্তাহ নিয়মিত ব্যবহারে ফল মূল্যায়ন করুন।
অর্ডারের পর ফোনে নিশ্চিত করে তারপর পণ্য পাঠানো হবে
অর্ডারের আগে ক্রেতারা যেসব প্রশ্ন সবচেয়ে বেশি করেন
চুল পড়ার কারণ অনেক রকম — পুষ্টি, হরমোন, পানির মানসহ নানা বিষয় জড়িত। ভেষজ তেল গোড়ার যত্নে সহায়ক, তবে আমরা নির্দিষ্ট সময়ে নিশ্চিত ফলের প্রতিশ্রুতি দিই না। অন্তত ৮–১২ সপ্তাহ নিয়মিত ব্যবহার করে নিজেই মূল্যায়ন করুন। অতিরিক্ত চুল পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
হ্যাঁ। এই তেল নারী ও পুরুষ — সবার স্ক্যাল্প ও চুলের গঠনের কথা ভেবেই তৈরি।
নারকেল-ভিত্তিক হলেও ফর্মুলাটি হালকা রাখা হয়েছে। পরিমাণমতো ব্যবহার করলে অতিরিক্ত চটচটে ভাব থাকে না এবং শ্যাম্পুতে সহজে উঠে যায়।
সাধারণত যায়, তবে প্রথমবার চুলের ছোট একটি অংশে পরীক্ষা করে নেওয়ার পরামর্শ দিই।